রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসির চোখ ধাঁধানো গোল, অতঃপর….

জয়ের খুব কাছেই ছিল ইন্টার মায়ামি। লিওনেল মেসির দুর্দান্ত গোলে এগিয়েও গিয়েছিল তারা। কিন্তু যোগ করা সময়ে গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত ন্যাশভিল এসসির সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে মায়ামি। এই এক পয়েন্টেই ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষে ন্যাশভিলের সঙ্গে তাদের ব্যবধান দাঁড়াল ৯ পয়েন্টে।

দক্ষিণ ফ্লোরিডাব ম্যাচে মাত্র ৪ মিনিটেই ন্যাশভিলকে এগিয়ে দেন স্যাম সারিজ। ১৯ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে ন্যাশভিলের রিড বেকার-হোয়াইটিংয়ের মাথায় লেগে আত্মঘাতী গোল হলে সমতায় ফেরে মায়ামি।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় মায়ামি। ৬২ মিনিটে দীর্ঘদিনের আর্জেন্টাইন সতীর্থ রদ্রিগো ডি পলের সঙ্গে দারুণ পাস আদান-প্রদান করে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোল করেন মেসি। গোলটি ছিল চলতি মৌসুমে এমএলএসে তাঁর ১৯তম।

এরপর ব্যবধান বাড়ানোর একাধিক সুযোগ পেয়েছিলেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। একবার ব্রায়ান শভাকে তাঁর শট ঠেকিয়ে পোস্টে লাগিয়ে দেন। আরেকবার ন্যাশভিলের ডিফেন্ডার জেইসন পালাসিওস শেষ মুহূর্তে হেড করে বল সরিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধে পোস্টের পাশাপাশি ক্রসবারেও বল লাগান মেসি। ফলে এমএলএসে ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০০তম গোলের অপেক্ষা আরও বাড়ল।

মায়ামির জয় যখন প্রায় নিশ্চিত, তখনই আসে বড় ধাক্কা। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সারিজ নিজের দ্বিতীয় গোল করে ন্যাশভিলকে সমতায় ফেরান। এমনকি এরপর দে পলের শটও পোস্টের বাইরের দিকে লেগে ফিরে আসে।

মেসির গোল মায়ামির ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

মেসির গোল মায়ামির ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

মায়ামির ডিফেন্ডার ফাকুন্দো মুরা ম্যাচ শেষে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘অবশ্যই হতাশ লাগছে। আমাদের মনে হচ্ছিল আমরা ভালো দল ছিলাম, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিন পয়েন্ট হাতছাড়া হয়ে গেল।’

এই ড্রয়ের ফলে ঘরের মাঠে এগিয়ে থেকেও পয়েন্ট হারানোর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নিজেদের সর্বশেষ নয় ম্যাচে মায়ামির জয় মাত্র একটি।

অন্যদিকে ন্যাশভিল এখন প্রথমবারের মতো সাপোর্টার্স শিল্ড জয়ের দারুণ অবস্থানে। মৌসুমে আর নয় ম্যাচ বাকি থাকতে মায়ামির চেয়ে ৯ পয়েন্ট এগিয়ে তারা। চলতি মৌসুমে চারবার মুখোমুখি হয়ে এখনো মায়ামির কাছে হারেনি ন্যাশভিল। এর মধ্যে ১৫ আগস্ট এমএলএসের ম্যাচে তারা জিতেছিল ৪-১ গোলে। এর আগে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে মায়ামিকে বিদায়ও করেছিল তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘সৎ সাহস থাকলে আইনের মুখোমুখি হোন’

মেসির চোখ ধাঁধানো গোল, অতঃপর….

প্রকাশিত সময় : ০৫:১৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জয়ের খুব কাছেই ছিল ইন্টার মায়ামি। লিওনেল মেসির দুর্দান্ত গোলে এগিয়েও গিয়েছিল তারা। কিন্তু যোগ করা সময়ে গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত ন্যাশভিল এসসির সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে মায়ামি। এই এক পয়েন্টেই ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষে ন্যাশভিলের সঙ্গে তাদের ব্যবধান দাঁড়াল ৯ পয়েন্টে।

দক্ষিণ ফ্লোরিডাব ম্যাচে মাত্র ৪ মিনিটেই ন্যাশভিলকে এগিয়ে দেন স্যাম সারিজ। ১৯ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে ন্যাশভিলের রিড বেকার-হোয়াইটিংয়ের মাথায় লেগে আত্মঘাতী গোল হলে সমতায় ফেরে মায়ামি।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় মায়ামি। ৬২ মিনিটে দীর্ঘদিনের আর্জেন্টাইন সতীর্থ রদ্রিগো ডি পলের সঙ্গে দারুণ পাস আদান-প্রদান করে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোল করেন মেসি। গোলটি ছিল চলতি মৌসুমে এমএলএসে তাঁর ১৯তম।

এরপর ব্যবধান বাড়ানোর একাধিক সুযোগ পেয়েছিলেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। একবার ব্রায়ান শভাকে তাঁর শট ঠেকিয়ে পোস্টে লাগিয়ে দেন। আরেকবার ন্যাশভিলের ডিফেন্ডার জেইসন পালাসিওস শেষ মুহূর্তে হেড করে বল সরিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধে পোস্টের পাশাপাশি ক্রসবারেও বল লাগান মেসি। ফলে এমএলএসে ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০০তম গোলের অপেক্ষা আরও বাড়ল।

মায়ামির জয় যখন প্রায় নিশ্চিত, তখনই আসে বড় ধাক্কা। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সারিজ নিজের দ্বিতীয় গোল করে ন্যাশভিলকে সমতায় ফেরান। এমনকি এরপর দে পলের শটও পোস্টের বাইরের দিকে লেগে ফিরে আসে।

মেসির গোল মায়ামির ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

মেসির গোল মায়ামির ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

মায়ামির ডিফেন্ডার ফাকুন্দো মুরা ম্যাচ শেষে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘অবশ্যই হতাশ লাগছে। আমাদের মনে হচ্ছিল আমরা ভালো দল ছিলাম, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিন পয়েন্ট হাতছাড়া হয়ে গেল।’

এই ড্রয়ের ফলে ঘরের মাঠে এগিয়ে থেকেও পয়েন্ট হারানোর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নিজেদের সর্বশেষ নয় ম্যাচে মায়ামির জয় মাত্র একটি।

অন্যদিকে ন্যাশভিল এখন প্রথমবারের মতো সাপোর্টার্স শিল্ড জয়ের দারুণ অবস্থানে। মৌসুমে আর নয় ম্যাচ বাকি থাকতে মায়ামির চেয়ে ৯ পয়েন্ট এগিয়ে তারা। চলতি মৌসুমে চারবার মুখোমুখি হয়ে এখনো মায়ামির কাছে হারেনি ন্যাশভিল। এর মধ্যে ১৫ আগস্ট এমএলএসের ম্যাচে তারা জিতেছিল ৪-১ গোলে। এর আগে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে মায়ামিকে বিদায়ও করেছিল তারা।