বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেইজিংয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে শি ও পুতিন

বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে শুরু হয়েছে ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসেন।

এর আগে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিংয়ে পৌঁছালে তাকে এক জাঁকজমকপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাগত জানান চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দুই দেশের সুদীর্ঘ কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পুতিনের এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

বর্তমানে দুই রাষ্ট্রপ্রধান একান্ত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। কূটনৈতিক সূত্র এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, নতুন জ্বালানি প্রকল্প এবং ইউক্রেন পরিস্থিতিসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে।

চলমান ইরান পরিস্থিতি এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়ে দুই নেতার মধ্যে গভীর আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। এই যুদ্ধ পরিস্থিতি এশিয়াসহ বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে দুই পরাশক্তি তাদের ভবিষ্যৎ রণকৌশল নির্ধারণ করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বেইজিংয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে শি ও পুতিন

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে শুরু হয়েছে ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসেন।

এর আগে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিংয়ে পৌঁছালে তাকে এক জাঁকজমকপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাগত জানান চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দুই দেশের সুদীর্ঘ কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পুতিনের এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

বর্তমানে দুই রাষ্ট্রপ্রধান একান্ত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। কূটনৈতিক সূত্র এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, নতুন জ্বালানি প্রকল্প এবং ইউক্রেন পরিস্থিতিসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে।

চলমান ইরান পরিস্থিতি এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়ে দুই নেতার মধ্যে গভীর আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। এই যুদ্ধ পরিস্থিতি এশিয়াসহ বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে দুই পরাশক্তি তাদের ভবিষ্যৎ রণকৌশল নির্ধারণ করছে।