বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনপ্রিয় কে-ড্রামা অভিনেতার মানহানি, ইউটিউবার গ্রেপ্তার

দক্ষিণ কোরিয়ার কে-ড্রামার সুপরিচিত মুখ অভিনেতা কিম সু-হিয়ানের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোয় এক ইউটিউবারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত কিম সে-উই দক্ষিণ কোরিয়া তুমুল জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল ‌‘হোভার ল্যাব’ এর প্রধান ও সাবেক টেলিভিশন সাংবাদিক।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কিম সে-উইয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) তথ্য বিকৃত করে স্যোসাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেন। এতে অভিনেতা কিম সু-হিয়ানের জনপ্রিয়তায় নেমে যায়। এতে ইউটিউবারের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ তুলে মামলা করেন তিনি।

এর আগে ওই ইউটিউবারের বিরুদ্ধে প্রমাণ নষ্ট বা পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট।

পুলিশ জানিয়েছেন, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, এই ইউটিউবার মেসেঞ্জার অ্যাপ ‘কাকাওটক’ এর চ্যাট স্ক্রিনশট বিকৃত করেছিলেন। এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ভুয়া অডিও ক্লিপ তৈরি করেছিলেন তিনি।

বিকৃত তথ্যে দাবি করা হয়, অভিনেতা কিম সু-হিয়ান এবং প্রয়াত অভিনেত্রী কিম সে-রন যখন নাবালিকা (মিডল স্কুলের ছাত্রী) ছিলেন। তখন তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল।

এ ছাড়া কিম সু-হিয়ানের চাপের কারণে কিম সে-রন আত্মহত্যা করেছেন বলেও মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ইউটিউবার কিম সে-উই আর্থিক লাভ এবং চ্যানেলের ভিউ বা সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই সচেতনভাবে এই ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছিলেন।

এই ভয়াবহ গুজব ছড়ানোর ফলে কোরিয়ান ড্রামার প্রথম সারির তারকা কিম সু-হিয়ানের ক্যারিয়ার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ১০ লাখেরও বেশি ফলোয়ার হারান। তার একাধিক বিজ্ঞাপন এবং টেলিভিশন চুক্তি বাতিল হয়।

ডিজনি প্লাস তার অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ ‘নক-অফের’ মুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় কে-ড্রামা অভিনেতার মানহানি, ইউটিউবার গ্রেপ্তার

প্রকাশিত সময় : ০২:২২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
দক্ষিণ কোরিয়ার কে-ড্রামার সুপরিচিত মুখ অভিনেতা কিম সু-হিয়ানের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোয় এক ইউটিউবারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত কিম সে-উই দক্ষিণ কোরিয়া তুমুল জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল ‌‘হোভার ল্যাব’ এর প্রধান ও সাবেক টেলিভিশন সাংবাদিক।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কিম সে-উইয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) তথ্য বিকৃত করে স্যোসাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেন। এতে অভিনেতা কিম সু-হিয়ানের জনপ্রিয়তায় নেমে যায়। এতে ইউটিউবারের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ তুলে মামলা করেন তিনি।

এর আগে ওই ইউটিউবারের বিরুদ্ধে প্রমাণ নষ্ট বা পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট।

পুলিশ জানিয়েছেন, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, এই ইউটিউবার মেসেঞ্জার অ্যাপ ‘কাকাওটক’ এর চ্যাট স্ক্রিনশট বিকৃত করেছিলেন। এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ভুয়া অডিও ক্লিপ তৈরি করেছিলেন তিনি।

বিকৃত তথ্যে দাবি করা হয়, অভিনেতা কিম সু-হিয়ান এবং প্রয়াত অভিনেত্রী কিম সে-রন যখন নাবালিকা (মিডল স্কুলের ছাত্রী) ছিলেন। তখন তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল।

এ ছাড়া কিম সু-হিয়ানের চাপের কারণে কিম সে-রন আত্মহত্যা করেছেন বলেও মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ইউটিউবার কিম সে-উই আর্থিক লাভ এবং চ্যানেলের ভিউ বা সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই সচেতনভাবে এই ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছিলেন।

এই ভয়াবহ গুজব ছড়ানোর ফলে কোরিয়ান ড্রামার প্রথম সারির তারকা কিম সু-হিয়ানের ক্যারিয়ার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ১০ লাখেরও বেশি ফলোয়ার হারান। তার একাধিক বিজ্ঞাপন এবং টেলিভিশন চুক্তি বাতিল হয়।

ডিজনি প্লাস তার অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ ‘নক-অফের’ মুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে যায়।