বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের মাটিতে শেখ হাসিনার কবর হবে না: সারজিস

বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে শেখ হাসিনা যে অন্যায় করেছেন এবং এত পাপ করেছেন, তার পরিণতি তাঁকে ভোগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাঙামাটিতে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিন পার্বত্য জেলায় সুষম উন্নয়ন ও সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

সারজিস আলম বলেন, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা বাদ দিন; শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশে হবে না।

জেলা পরিষদের বর্তমান গঠন নিয়েও সমালোচনা করেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, জেলা পরিষদগুলোতে নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বর্তমানে দলীয় লোকজন দিয়ে এসব পরিষদ গঠন করা হয়েছে এবং এগুলো দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, সমাজে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের পাশাপাশি সব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে জেলা পরিষদ গঠন করতে হবে।

পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি পাহাড়ের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান এই নেতা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাংলাদেশের মাটিতে শেখ হাসিনার কবর হবে না: সারজিস

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে শেখ হাসিনা যে অন্যায় করেছেন এবং এত পাপ করেছেন, তার পরিণতি তাঁকে ভোগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাঙামাটিতে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিন পার্বত্য জেলায় সুষম উন্নয়ন ও সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

সারজিস আলম বলেন, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা বাদ দিন; শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশে হবে না।

জেলা পরিষদের বর্তমান গঠন নিয়েও সমালোচনা করেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, জেলা পরিষদগুলোতে নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বর্তমানে দলীয় লোকজন দিয়ে এসব পরিষদ গঠন করা হয়েছে এবং এগুলো দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, সমাজে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের পাশাপাশি সব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে জেলা পরিষদ গঠন করতে হবে।

পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি পাহাড়ের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান এই নেতা।