নিজেদের রক্ষা করতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী এখন জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে তাঁরা যখন মিছিল করেছিলেন, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েম ছাত্রলীগের হয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে মিছিল করেছিলেন।
তিনি লেখেন, ‘শিবির তকমা দিয়ে আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হলো, কিন্তু একজন শিবির নেতা সেই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ পর্যন্ত করেনি। অথচ এরা নাকি গণভবন দখলের সব নকশা রেডি করে ফেলেছিল।’
রাশেদ খাঁনের দাবি, ২০২৪ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন নতুন করে শুরু না হলে এবং শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জনগণ রাস্তায় না নামলে তাঁদের অনেকেই ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার চেষ্টা করতেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা সেই অতীত পরিচয় স্বীকার করতে চাইছেন না।
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়েও জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া অনেকেই প্রকৃতপক্ষে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে কে ছাত্রলীগ আর কে শিবিরের কর্মী, তা শনাক্ত করতে প্রশাসনকে বেগ পেতে হচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগের কোনো নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গেলেও বিভিন্ন মহল থেকে তদবির আসে। তখন দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পরিস্থিতির কারণে ছাত্রলীগে যোগ দিলেও প্রকৃতপক্ষে ছাত্রশিবিরের কর্মী।
ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আবার শোনা যাচ্ছে, কায়দা করে বেঁচে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে! কি একটা মসিবত!!’
তবে পোস্টে উত্থাপিত এসব অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য উল্লেখ করেননি তিনি।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























