মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের পুঁজি ১২৭

নতুন শুরুর আশায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাটিং করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লে-তে ঝড় তোলা তো দূরের কথা, টানা উইকেট পতনে উল্টো চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে শেষটা ভালোই করেছে টাইগাররা।

২০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১২৭ রান।

ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১০ রানে মধ্যেই দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও অভিষিক্ত সাইফ হাসান দুজনেই বিদায় নেয়। হাসান আলীর করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন নাঈম। মোহাম্মদ ওয়াসিমের করা পরের ওভারের শেষ বলে ফখর জামানের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সাইফও। দুজনের কেউই ১ রানের বেশি করতে পারেননি।

এরপর তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত বোলার মোহাম্মদ ওয়াসিমের হাতেই ক্যাচ দেন ৭ রানের ইনিংস খেলেই। প্রথম ৩ ব্যাটারের কেউই বাউন্ডারি বা ছক্কাও হাঁকাতে পারেননি। ফলে পাওয়ার প্লে থেকে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৫ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। এরপর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও মাত্র ৬ রান করেই পাকিস্তানি পেসার নওয়াজের বলে বোল্ড হয়ে ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটেন।

৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখান আফিফ হোসেন। কিন্তু ১০তম ওভারে পাকিস্তানের স্পিনার শাদাবের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন তিনি। আম্পায়ার আউটও দেন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে রিভিও নেন আফিফ এবং তাতে বেঁচে যান তিনি। ওই ওভারে অবশ্য কোনো রান আসেনি। কিন্তু পরের ওভারেই নওয়াজের বলে পর পর দুই ছক্কা হাঁকান তিনি। কিন্তু শাদাবের পরের ওভারেই ক্রিজ ছেড়ে এগিয়ে খেলতে এসে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়লে শেষ হয় আফিফের ৩৪ বলে ৩৬ রানের ইনিংস।

অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানরা দ্রুত ফিরলে শেষ দিকে টেলএন্ডারদের নিয়ে নির্ধারিত ওভারে স্কোরবোর্ডে ১২৭ রান তোলেন মেহেদী হাসান। ২০ বলে ৩০ রান করেন তিনি।

পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে ২২ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন হাসান আলী। ২৭ রান খরচায় একটি উইকেট নেন নেওয়াজ। ২৪ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। শাদাব খানের শিকার একটি।

বাংলাদেশ খেলছে লেগস্পিনার আমিনুল ইসলাম ও তিন পেসার তাসকিন, মোস্তাফিজুর ও শরিফুলকে নিয়ে। অন্যদিকে পাকিস্তানের একাদশে নেই শাহীন শাহ আফ্রিদি।

বাংলাদেশ একাদশ
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান, আমিনুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।

পাকিস্তান একাদশ 
বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান, ফখর জামান, হায়দার আলী, শোয়েব মালিক, শাদাব খান, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নওয়াজ, হাসান আলী, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের পুঁজি ১২৭

প্রকাশিত সময় : ০৫:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর ২০২১

নতুন শুরুর আশায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাটিং করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লে-তে ঝড় তোলা তো দূরের কথা, টানা উইকেট পতনে উল্টো চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে শেষটা ভালোই করেছে টাইগাররা।

২০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১২৭ রান।

ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১০ রানে মধ্যেই দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও অভিষিক্ত সাইফ হাসান দুজনেই বিদায় নেয়। হাসান আলীর করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন নাঈম। মোহাম্মদ ওয়াসিমের করা পরের ওভারের শেষ বলে ফখর জামানের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সাইফও। দুজনের কেউই ১ রানের বেশি করতে পারেননি।

এরপর তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত বোলার মোহাম্মদ ওয়াসিমের হাতেই ক্যাচ দেন ৭ রানের ইনিংস খেলেই। প্রথম ৩ ব্যাটারের কেউই বাউন্ডারি বা ছক্কাও হাঁকাতে পারেননি। ফলে পাওয়ার প্লে থেকে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৫ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। এরপর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও মাত্র ৬ রান করেই পাকিস্তানি পেসার নওয়াজের বলে বোল্ড হয়ে ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটেন।

৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখান আফিফ হোসেন। কিন্তু ১০তম ওভারে পাকিস্তানের স্পিনার শাদাবের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন তিনি। আম্পায়ার আউটও দেন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে রিভিও নেন আফিফ এবং তাতে বেঁচে যান তিনি। ওই ওভারে অবশ্য কোনো রান আসেনি। কিন্তু পরের ওভারেই নওয়াজের বলে পর পর দুই ছক্কা হাঁকান তিনি। কিন্তু শাদাবের পরের ওভারেই ক্রিজ ছেড়ে এগিয়ে খেলতে এসে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়লে শেষ হয় আফিফের ৩৪ বলে ৩৬ রানের ইনিংস।

অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানরা দ্রুত ফিরলে শেষ দিকে টেলএন্ডারদের নিয়ে নির্ধারিত ওভারে স্কোরবোর্ডে ১২৭ রান তোলেন মেহেদী হাসান। ২০ বলে ৩০ রান করেন তিনি।

পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে ২২ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন হাসান আলী। ২৭ রান খরচায় একটি উইকেট নেন নেওয়াজ। ২৪ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। শাদাব খানের শিকার একটি।

বাংলাদেশ খেলছে লেগস্পিনার আমিনুল ইসলাম ও তিন পেসার তাসকিন, মোস্তাফিজুর ও শরিফুলকে নিয়ে। অন্যদিকে পাকিস্তানের একাদশে নেই শাহীন শাহ আফ্রিদি।

বাংলাদেশ একাদশ
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান, আমিনুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।

পাকিস্তান একাদশ 
বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান, ফখর জামান, হায়দার আলী, শোয়েব মালিক, শাদাব খান, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নওয়াজ, হাসান আলী, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ।