রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী কারাগারে গোদাগাড়ীর এক আসামির ফাঁসি কার্যকর

রাজশাহী কারাগারে গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত দশটা এক মিনিটে রকিবর রহমান ওরফে ওকিবর নামের ওই আসামীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।

১৯৯৯ সালের একটি হত্যা মামলায় রকিবর রহমানের মৃত্যুদন্ড দেন আদালত। এরপর তার প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নাকচ হলে বুধবার দিবাগত রাতে লক্ষীপুরের ফাঁসি কার্যকর করে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ

হাসে কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফাঁসি কার্যকরের পর লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২ জানুয়ারি খোরশেদা খাতুন নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় খোরশেদার বাবা আব্দুল জব্বার সাত জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন গোদাগাড়ী থানায়।

এ মামলায় শুনানি শেষে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল  আদালত ২০০৪ সালের ৮ আগস্ট চার আসামের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। তারা হলো, হেলাল উদ্দিন, রকিবর রহমান, লাল মোহাম্মদ ও বাছির উদ্দিন। তাদের মধ্যে বুধবার রাতে রকিবুর রহমানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় তারেক রহমান

রাজশাহী কারাগারে গোদাগাড়ীর এক আসামির ফাঁসি কার্যকর

প্রকাশিত সময় : ০২:২৪:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২

রাজশাহী কারাগারে গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত দশটা এক মিনিটে রকিবর রহমান ওরফে ওকিবর নামের ওই আসামীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।

১৯৯৯ সালের একটি হত্যা মামলায় রকিবর রহমানের মৃত্যুদন্ড দেন আদালত। এরপর তার প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নাকচ হলে বুধবার দিবাগত রাতে লক্ষীপুরের ফাঁসি কার্যকর করে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ

হাসে কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফাঁসি কার্যকরের পর লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২ জানুয়ারি খোরশেদা খাতুন নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় খোরশেদার বাবা আব্দুল জব্বার সাত জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন গোদাগাড়ী থানায়।

এ মামলায় শুনানি শেষে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল  আদালত ২০০৪ সালের ৮ আগস্ট চার আসামের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। তারা হলো, হেলাল উদ্দিন, রকিবর রহমান, লাল মোহাম্মদ ও বাছির উদ্দিন। তাদের মধ্যে বুধবার রাতে রকিবুর রহমানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো।