বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানের হিরোশিমা পিস পার্ক ও মিউজিয়াম পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা

জাপানের হিরোশিমায় অবস্থিত হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল পার্ক এবং হিরোশিমা শান্তি স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এমপি।

আজ বুধবার (৬ মে) তিনি ঐতিহাসিক স্থান দুটি পরিদর্শনে যান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর ‘লিটল বয়’ নামে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এর তিন দিন পর, ৯ আগস্ট, নাগাসাকি শহরের ওপর ‘ফ্যাট ম্যান’ নামে আরেকটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

সেম্বরের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণের ফলে হিরোশিমায় প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার মানুষ এবং নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ প্রাণ হারান। পরবর্তীকালে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও প্রায় দুই লাখ ১৪ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেন।

এখন ২০২৬ সাল। আজও হিরোশিমা শহর সেই বেদনাদায়ক ঘটনার নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যে ভবনটির ওপর বোমাটি নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তার ভগ্নাবশেষ আজও ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

পরিদর্শনকালে হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষক ও সেখানে গবেষণারত প্রবাসী বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন, এমপি, এবং মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, এমপি, উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জাপানের হিরোশিমা পিস পার্ক ও মিউজিয়াম পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা

প্রকাশিত সময় : ০৬:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
জাপানের হিরোশিমায় অবস্থিত হিরোশিমা পিস মেমোরিয়াল পার্ক এবং হিরোশিমা শান্তি স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এমপি।

আজ বুধবার (৬ মে) তিনি ঐতিহাসিক স্থান দুটি পরিদর্শনে যান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর ‘লিটল বয়’ নামে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এর তিন দিন পর, ৯ আগস্ট, নাগাসাকি শহরের ওপর ‘ফ্যাট ম্যান’ নামে আরেকটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

সেম্বরের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণের ফলে হিরোশিমায় প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার মানুষ এবং নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ প্রাণ হারান। পরবর্তীকালে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও প্রায় দুই লাখ ১৪ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেন।

এখন ২০২৬ সাল। আজও হিরোশিমা শহর সেই বেদনাদায়ক ঘটনার নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যে ভবনটির ওপর বোমাটি নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তার ভগ্নাবশেষ আজও ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

পরিদর্শনকালে হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষক ও সেখানে গবেষণারত প্রবাসী বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন, এমপি, এবং মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, এমপি, উপস্থিত ছিলেন।