রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্যারেজ মালিক আটক

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই সন্দেহে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৭ মে) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার পশ্চিম খুটামারা মমিনটলি এলাকার একটি গ্যারেজের গোডাউন থেকে এসব মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্যারেজ ও গোডাউনের মালিক মো. আব্বাস আলীকে (পিতা: মৃত মতিয়ার রহমান) আটক করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি পুলিশ হেফাজতে থাকা কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্য ও সনাক্তকরণ অনুযায়ী আজ বিকেলে জলঢাকা থানার পুলিশ টেঙ্গনমারী এলাকায় আব্বাস আলীর মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনের একটি গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চোরাই সন্দেহে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

আটককৃত আব্বাস আলীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি প্রখ্যাত চোর শাহীন ও ফরিদুলসহ একটি বড় চক্রের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এসব মোটরসাইকেল সংগ্রহ করে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে তার পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসা থাকলেও, উদ্ধারকৃত অধিকাংশ মোটরসাইকেলেরই কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।

অভিযানকালে দোকানটি থেকে মালিকানা সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। বর্তমানে উদ্ধারকৃত কাগজপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং চোর চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্যারেজ মালিক আটক

প্রকাশিত সময় : ০৫:১০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই সন্দেহে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৭ মে) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার পশ্চিম খুটামারা মমিনটলি এলাকার একটি গ্যারেজের গোডাউন থেকে এসব মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্যারেজ ও গোডাউনের মালিক মো. আব্বাস আলীকে (পিতা: মৃত মতিয়ার রহমান) আটক করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি পুলিশ হেফাজতে থাকা কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্য ও সনাক্তকরণ অনুযায়ী আজ বিকেলে জলঢাকা থানার পুলিশ টেঙ্গনমারী এলাকায় আব্বাস আলীর মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনের একটি গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চোরাই সন্দেহে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

আটককৃত আব্বাস আলীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি প্রখ্যাত চোর শাহীন ও ফরিদুলসহ একটি বড় চক্রের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এসব মোটরসাইকেল সংগ্রহ করে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে তার পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসা থাকলেও, উদ্ধারকৃত অধিকাংশ মোটরসাইকেলেরই কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।

অভিযানকালে দোকানটি থেকে মালিকানা সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। বর্তমানে উদ্ধারকৃত কাগজপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং চোর চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।