শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাতৃত্বের অভিজ্ঞতায় নতুন সিনেমায় ‘হামিদা’ চরিত্রে প্রীতি জিনতা

রাজকুমার সান্তোষির নতুন ছবি ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এ ‘হামিদা’ চরিত্রটি বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতার জন্য হয়ে উঠেছিল ভীষণ ব্যক্তিগত। দেশভাগের পটভূমিতে পরিবারকে আগলে রাখার লড়াই করা এক নারীর অনুভূতি ফুটিয়ে তুলতে নিজের বাস্তব জীবনের মাতৃত্ব ও বৈবাহিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ভ্যারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রীতি জিনতা জানান, গল্পটির মূল সৌন্দর্য হলো আশার আলো। পরিস্থিতি যতই অন্ধকার হোক না কেন, টিকে থাকার জন্য একটুখানি আশাই যথেষ্ট। নিজের পরিবার থাকার কারণেই তিনি চরিত্রটির ভেতরের বেদনা গভীরভাবে অনুভব করতে পেরেছেন।

ছবির ট্রেনের একটি বিশেষ আবেগঘন দৃশ্যের শুটিংয়ের স্মৃতিচারণ করে প্রীতি বলেন, সহশিল্পী সানি দেওল আগেই ‘গদর’-এ কাজ করায় এমন দৃশ্যপট সম্পর্কে ধারণা ছিল।

কিন্তু আমার জন্য দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। মা হওয়ার পর আমি অনুধাবন করেছি, দেশভাগের মতো দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল নারী ও শিশুরা। তাই এই ছবিতে আমার পুরো জগতটাই ছিল পরিবারকে কেন্দ্র করে।
চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে পরিচালক রাজকুমার সন্তোষী জানান, গল্পে পুরুষতান্ত্রিক অহংকার ও পরিবারের নিরাপত্তার টানাপোড়েন সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

ছবিতে সানি দেওলের চরিত্র ‘সিকান্দার মির্জা’ তার সিদ্ধান্তের কারণে পরিবার সংকটে পড়লে স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চায়। এই সম্মানটুকুই পরবর্তীতে স্ত্রীর কাছে তার সবচেয়ে বড় শক্তিতে পরিণত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ইসলামের প্রথম জুমার খুতবায় যে বার্তা দেন মহানবী (সা.)

মাতৃত্বের অভিজ্ঞতায় নতুন সিনেমায় ‘হামিদা’ চরিত্রে প্রীতি জিনতা

প্রকাশিত সময় : ১১:০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

রাজকুমার সান্তোষির নতুন ছবি ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এ ‘হামিদা’ চরিত্রটি বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতার জন্য হয়ে উঠেছিল ভীষণ ব্যক্তিগত। দেশভাগের পটভূমিতে পরিবারকে আগলে রাখার লড়াই করা এক নারীর অনুভূতি ফুটিয়ে তুলতে নিজের বাস্তব জীবনের মাতৃত্ব ও বৈবাহিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ভ্যারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রীতি জিনতা জানান, গল্পটির মূল সৌন্দর্য হলো আশার আলো। পরিস্থিতি যতই অন্ধকার হোক না কেন, টিকে থাকার জন্য একটুখানি আশাই যথেষ্ট। নিজের পরিবার থাকার কারণেই তিনি চরিত্রটির ভেতরের বেদনা গভীরভাবে অনুভব করতে পেরেছেন।

ছবির ট্রেনের একটি বিশেষ আবেগঘন দৃশ্যের শুটিংয়ের স্মৃতিচারণ করে প্রীতি বলেন, সহশিল্পী সানি দেওল আগেই ‘গদর’-এ কাজ করায় এমন দৃশ্যপট সম্পর্কে ধারণা ছিল।

কিন্তু আমার জন্য দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। মা হওয়ার পর আমি অনুধাবন করেছি, দেশভাগের মতো দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল নারী ও শিশুরা। তাই এই ছবিতে আমার পুরো জগতটাই ছিল পরিবারকে কেন্দ্র করে।
চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে পরিচালক রাজকুমার সন্তোষী জানান, গল্পে পুরুষতান্ত্রিক অহংকার ও পরিবারের নিরাপত্তার টানাপোড়েন সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

ছবিতে সানি দেওলের চরিত্র ‘সিকান্দার মির্জা’ তার সিদ্ধান্তের কারণে পরিবার সংকটে পড়লে স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চায়। এই সম্মানটুকুই পরবর্তীতে স্ত্রীর কাছে তার সবচেয়ে বড় শক্তিতে পরিণত হয়।