শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে দুই মাসের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়েছে এডিস মশার প্রজনন, বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী

রাজশাহীতে দুই মাসের ব্যবধানে এডিস মশার প্রজনন বেড়েছে দ্বিগুণ। একই সময়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও।
গত ৩ থেকে ১০ আগস্ট নগরের কাজিহাটা, চণ্ডিপুর, উপরভদ্রা, নামোভদ্রা ও হাজরাপুকুর এলাকায় ৭৫টি বাড়ি পরিদর্শন করে ২৪টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এ সময় ৬৮টি পানি ধারণকারী পাত্র পরীক্ষা করে ৪৬টিতেই এডিসের লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
ফুলদানি, প্লাস্টিক ও সিরামিকের টব, মাটি ও টিনের পাত্র, নারকেলের খোসা, সিমেন্টের টব, ড্রাম, জলমগ্ন মেঝে, রঙের বালতি ও প্লাস্টিকের বালতিতে পাওয়া গেছে এসব লার্ভা।
রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী রাজশাহীতে ডেঙ্গুর ঝুঁকি উদ্বেগজনক। এ অবস্থায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন ডলার বলেন, ডেঙ্গু পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে এর বিস্তার ঠেকাতে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পাশাপাশি বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে।
এদিকে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ বলেন, গত ১১ আগস্ট হাসপাতালে একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃ/ত্যু হয়েছে। বর্তমানে রোগীর চাপ কিছুটা বাড়ছে। তবে ডেঙ্গু রোগীদের সুচিকিৎসা দিতে হাসপাতালের প্রস্তুতি রয়েছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহীতে দুই মাসের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়েছে এডিস মশার প্রজনন, বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী

রাজশাহীতে দুই মাসের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়েছে এডিস মশার প্রজনন, বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী

প্রকাশিত সময় : ১১:৫০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
রাজশাহীতে দুই মাসের ব্যবধানে এডিস মশার প্রজনন বেড়েছে দ্বিগুণ। একই সময়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও।
গত ৩ থেকে ১০ আগস্ট নগরের কাজিহাটা, চণ্ডিপুর, উপরভদ্রা, নামোভদ্রা ও হাজরাপুকুর এলাকায় ৭৫টি বাড়ি পরিদর্শন করে ২৪টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এ সময় ৬৮টি পানি ধারণকারী পাত্র পরীক্ষা করে ৪৬টিতেই এডিসের লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
ফুলদানি, প্লাস্টিক ও সিরামিকের টব, মাটি ও টিনের পাত্র, নারকেলের খোসা, সিমেন্টের টব, ড্রাম, জলমগ্ন মেঝে, রঙের বালতি ও প্লাস্টিকের বালতিতে পাওয়া গেছে এসব লার্ভা।
রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী রাজশাহীতে ডেঙ্গুর ঝুঁকি উদ্বেগজনক। এ অবস্থায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন ডলার বলেন, ডেঙ্গু পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে এর বিস্তার ঠেকাতে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পাশাপাশি বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে।
এদিকে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ বলেন, গত ১১ আগস্ট হাসপাতালে একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃ/ত্যু হয়েছে। বর্তমানে রোগীর চাপ কিছুটা বাড়ছে। তবে ডেঙ্গু রোগীদের সুচিকিৎসা দিতে হাসপাতালের প্রস্তুতি রয়েছে।