সাড়ে ৮ বছর পর চালু হচ্ছে রাজশাহীর নন্দনগাছী স্টেশন। ইতোমধ্যে একজন মাস্টারকে ওই স্টেশনে প্রদায়ন করেছে রেলওয়ে। স্টেশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।স্টেশনের আউটলাইনের কাজ শেষ পর্যায়ে। অন্য লোকাল ট্রেনগুলোর সঙ্গে থামবে রাজশাহী-ঈশ্বরদীর মধ্যে চলাচল করা ‘ঈশ্বরদী কমিউটা’র ট্রেন।
জানা গেছে- ১৯২৯ সালে রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার নন্দনগাছী স্টেশনটি স্থাপিত হয় নিমপাড়া ইউনিয়নের বরকতপুর এলাকায়। যা নন্দনগাছী স্টেশন নামে পরিচিত। শতবর্ষী স্টেশনটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারি। নিয়ম অনুযায়ী এই স্টেশনে স্টেশনমাস্টার, টিকিট মাস্টার, পোর্টারম্যান, পয়েন্টসম্যান, গেটম্যানসহ জনবল ছিল ১২ জন। তবে বন্ধ হওয়ার পরে পোর্টারম্যান পদে একজন কর্মরত রয়েছেন।
তবে স্টেশনে লোকাল ট্রেনগুলো থামত। বিক্রি হতো না কোন টিকিট। এমনভাবে দীর্ঘ সাড়ে ৮ বছর কেটে গেছে। তবে স্টেশনটি পূর্নরায় চালু ও ট্রেন থামানোর দাবিতে গেল কয়েক বছর থেকে আন্দোলন করে আসছেন স্থানীয়রা। এছাড়া স্থানীয় (রাজশাহী-৬ আসন) সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ ডিও লেটারও দেন স্টেশনটি চালুর জন্য।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে- বর্তমানে স্টেশনটিতে মহানন্দা এক্সপ্রেস, রাজশাহী মেল, লোকাল সিক্স ডাউন, ফিপ্টিন আপ ও ডাউন ট্রেন থামত। স্থানীয়দের চাহিদার প্রেক্ষিতে নতুন করে ঈশ্বরদী কমিউটার ট্রেন থামবে। এরফলে এই অঞ্চলের যাত্রীদের রাজশাহী-পাবনাসহ অন্য জায়গায় যাওয়াতের সুবিধা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা জয়নুল ইসলাম বলেন, নন্দনগাছী স্টেশনটি তিন উপজেলা থেকে নিকটবর্তী। চারঘাট, বাঘা ও পুঠিয়া এই তিন উপজেলার হাজারো মানুষ বিভিন্ন এলাকায় যাত্রা করেন। সড়কপথে যাতায়াতে ভোগান্তি হয়। বিকল্প হিসেবে রেলপথ ব্যবহার করা যায়। নন্দনগাছী স্টেশনে ট্রেন যাত্রাবিরতি দিলে এই অঞ্চলের মানুষের উপকার হবে। ফলে সরকারও রাজস্ব পাবে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পিডব্লিউআই মো. বাকিতুল্লাহ বলেন- নন্দনগাছী স্টেশনে কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ হবে। এই স্টেশনের কার্যক্রম চালু হবে।
এ বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল আওয়াল বলেন- ইতোমধ্যে একজন স্টেশন মাস্টারকে প্রদায়ন করা হয়েছে। স্টেশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অন্য লোকাল ট্রেনের সঙ্গে এখন থেকে ঈশ্বরদী কমিউটার ট্রেন থামবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ ডিও লেটার দিয়েছিলন স্টেশনটি চালুর জন্য। স্টেশনটি চালু হচ্ছে, এখন থেকে যাত্রীসেবা ছাড়াও ট্রেনগুলো ক্রসিং করা যাবে।

রিপোর্টারের নাম 

























