শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেরুতে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

পেরুর দক্ষিণাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে আয়াকুচো অঞ্চলে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এতে রাজধানী লিমাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬ দশমিক ৭ বলে জানিয়েছে। তবে পেরুর ভূ-পদার্থবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আয়াকুচো অঞ্চলের পারিনাকোচাস প্রদেশে। কোরাকোরা শহরের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে ছিল এর কেন্দ্র। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০৮ কিলোমিটার।

শক্তিশালী কম্পন হলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল তুলনামূলকভাবে গভীরে হওয়ায় এর শক্তির বড় একটি অংশ ভূগর্ভেই শোষিত হয়েছে। ফলে ভূপৃষ্ঠে কম্পনের প্রভাব তুলনামূলক কম পড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পেরুর উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় সতর্কতা জারি করেছে দেশটির ভূ-পদার্থবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট। জনগণকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরিকল্পনা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থানের কারণে পেরুতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। এর আগে ২০০৭ সালে দেশটির ইকা অঞ্চলে ৭ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হয়েছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

এ বছর হচ্ছে না বিপিএল, নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন তামিম

পেরুতে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

প্রকাশিত সময় : ১১:১৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
পেরুর দক্ষিণাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে আয়াকুচো অঞ্চলে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এতে রাজধানী লিমাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬ দশমিক ৭ বলে জানিয়েছে। তবে পেরুর ভূ-পদার্থবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আয়াকুচো অঞ্চলের পারিনাকোচাস প্রদেশে। কোরাকোরা শহরের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে ছিল এর কেন্দ্র। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০৮ কিলোমিটার।

শক্তিশালী কম্পন হলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল তুলনামূলকভাবে গভীরে হওয়ায় এর শক্তির বড় একটি অংশ ভূগর্ভেই শোষিত হয়েছে। ফলে ভূপৃষ্ঠে কম্পনের প্রভাব তুলনামূলক কম পড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পেরুর উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় সতর্কতা জারি করেছে দেশটির ভূ-পদার্থবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট। জনগণকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরিকল্পনা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থানের কারণে পেরুতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। এর আগে ২০০৭ সালে দেশটির ইকা অঞ্চলে ৭ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হয়েছিল।