মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে সারাদেশে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে সারাদেশে যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এ উপলক্ষ্যে নিয়মিত টহল জোরদারের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপ-পরিচালক ও পরিচালকের পক্ষে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী ইবাদত-বন্দেগী, সালাত ও জিকিরসহ নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হবে। সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি পালনের লক্ষ্যে র‍্যাব অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বক্ষণিক কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল জোরদার এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, প্রতিটি ব্যাটালিয়ন পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে পর্যাপ্ত সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন করা হবে। নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় আগে থেকেই স্কেলিটন ফোর্স মোতায়েন করা হবে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় মসজিদের ইমাম, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক নেতারা এবং নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির ব্যক্তিদের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বার্থান্বেষী মহল, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং কোনো গোষ্ঠীর মাধ্যমে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠানে হামলা, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধিসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যেন না হয়, সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নকারী তথ্য, গুজব, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোড চিহ্নিত করতে চলমান সাইবার পেট্রোলিং বিশেষভাবে জোরদার করা হয়েছে।

র‍্যাব ফোর্সেস দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কার্যক্রম সম্পর্কে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

জনসচেতনতা ও সবার আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে র‍্যাব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে সারাদেশে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

প্রকাশিত সময় : ০৫:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে সারাদেশে যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এ উপলক্ষ্যে নিয়মিত টহল জোরদারের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপ-পরিচালক ও পরিচালকের পক্ষে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী ইবাদত-বন্দেগী, সালাত ও জিকিরসহ নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হবে। সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি পালনের লক্ষ্যে র‍্যাব অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বক্ষণিক কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল জোরদার এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, প্রতিটি ব্যাটালিয়ন পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে পর্যাপ্ত সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন করা হবে। নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় আগে থেকেই স্কেলিটন ফোর্স মোতায়েন করা হবে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় মসজিদের ইমাম, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক নেতারা এবং নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির ব্যক্তিদের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বার্থান্বেষী মহল, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং কোনো গোষ্ঠীর মাধ্যমে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠানে হামলা, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধিসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যেন না হয়, সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নকারী তথ্য, গুজব, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোড চিহ্নিত করতে চলমান সাইবার পেট্রোলিং বিশেষভাবে জোরদার করা হয়েছে।

র‍্যাব ফোর্সেস দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কার্যক্রম সম্পর্কে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

জনসচেতনতা ও সবার আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে র‍্যাব।