বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন বিশ্বমানবতার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ

“মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন বিশ্বমানবতার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাংলাদেশের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ বিশ্বের সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম-এর প্রকাশক রায়হান রোহান।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় রায়হান রোহান বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন ছিল সমগ্র মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপই প্রেরণ করেছি।” —সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১০৭। তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর আবির্ভাবের আগে আরব সমাজে অজ্ঞতা, গোত্রীয় হিংসা-বিদ্বেষ, সামাজিক বৈষম্য ও নানা অনাচার ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।

তিনি নবুয়ত লাভের পর মানুষকে তাওহিদ, ন্যায়বিচার, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, দয়া, ক্ষমা ও মানবিকতার শিক্ষা দেন এবং তাঁর আদর্শের মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

রায়হান রোহান বলেন, “মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন বিশ্বমানবতার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ। তাঁর জীবন ও কর্মে সত্য, ন্যায়, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও উত্তম চরিত্রের অনন্য দৃষ্টান্ত রয়েছে।” মহানবী (সা.)-এর চরিত্র সম্পর্কে হযরত আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “তাঁর চরিত্র ছিল কোরআন।” —সহিহ মুসলিম।

আর রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে, তার ভাইয়ের জন্যও তা পছন্দ করে।” —সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম। তিনি বলেন, এসব শিক্ষা আজকের সমাজেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বর্তমান সময়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অশান্তি দূর করতে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার চর্চা প্রয়োজন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

রায়হান রোহান আরও বলেন, “পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শকে আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করতে হবে। তাঁর সুন্নাহ ও আদর্শ অনুসরণ করেই একটি বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও কল্যাণময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য উত্তম আদর্শ। তাঁর শিক্ষা অনুসরণ করে ন্যায়, ইনসাফ, দয়া ও মানবিকতার সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রায়হান রোহান মহান আল্লাহর দরবারে বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ এবং বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সম্প্রীতি, ভালোবাসা, মানবিকতা ও কল্যাণ—এই প্রত্যাশা করেন ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

“মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন বিশ্বমানবতার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ

প্রকাশিত সময় : ১০:০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাংলাদেশের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ বিশ্বের সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম-এর প্রকাশক রায়হান রোহান।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় রায়হান রোহান বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন ছিল সমগ্র মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপই প্রেরণ করেছি।” —সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১০৭। তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর আবির্ভাবের আগে আরব সমাজে অজ্ঞতা, গোত্রীয় হিংসা-বিদ্বেষ, সামাজিক বৈষম্য ও নানা অনাচার ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।

তিনি নবুয়ত লাভের পর মানুষকে তাওহিদ, ন্যায়বিচার, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, দয়া, ক্ষমা ও মানবিকতার শিক্ষা দেন এবং তাঁর আদর্শের মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

রায়হান রোহান বলেন, “মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন বিশ্বমানবতার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ। তাঁর জীবন ও কর্মে সত্য, ন্যায়, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও উত্তম চরিত্রের অনন্য দৃষ্টান্ত রয়েছে।” মহানবী (সা.)-এর চরিত্র সম্পর্কে হযরত আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “তাঁর চরিত্র ছিল কোরআন।” —সহিহ মুসলিম।

আর রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে, তার ভাইয়ের জন্যও তা পছন্দ করে।” —সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম। তিনি বলেন, এসব শিক্ষা আজকের সমাজেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বর্তমান সময়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অশান্তি দূর করতে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার চর্চা প্রয়োজন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

রায়হান রোহান আরও বলেন, “পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শকে আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করতে হবে। তাঁর সুন্নাহ ও আদর্শ অনুসরণ করেই একটি বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও কল্যাণময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য উত্তম আদর্শ। তাঁর শিক্ষা অনুসরণ করে ন্যায়, ইনসাফ, দয়া ও মানবিকতার সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রায়হান রোহান মহান আল্লাহর দরবারে বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ এবং বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সম্প্রীতি, ভালোবাসা, মানবিকতা ও কল্যাণ—এই প্রত্যাশা করেন ।