বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, শৈত্যপ্রবাহের আভাস

শীতের দাপট প্রকট হয়ে উঠছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সকালের কনকনে হিমেল হাওয়ায় জমে থাকা অতিরিক্ত আর্দ্রতা মানুষকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। রাতের তীব্র শীতে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয়রা। এর মধ্যেই ডিসেম্বরের শুরুতে শৈতপ্রবাহের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

এর আগে, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ছিল মৌসুমের অন্যতম কম তাপমাত্রা। তারও আগের দিন সোমাবার ছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ধারাবাহিকভাবে তাপমাত্রার এই ওঠানামা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করেছে। স্থানীয়রা জানান, সকাল হতেই হাত-পা জমে আসে। ঠান্ডা হাওয়া সরাসরি লাগে। এর মধ্যে লোকজনও খুব একটা বের হয় না।

রিকশাচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, কামাই কমে গেছে। লোকজন ঠান্ডায় বের হয় না। তবুও রিকশা নিয়ে বের হতে হয়। তবে মোটা কাপড় পরে রিকশা চালাই।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, শীত নামতে শুরু করেছে। ডিসেম্বরের শুরুতে শীত আরও তীব্র হবে। শৈতপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

পঞ্চগড়ে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, শৈত্যপ্রবাহের আভাস

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

শীতের দাপট প্রকট হয়ে উঠছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সকালের কনকনে হিমেল হাওয়ায় জমে থাকা অতিরিক্ত আর্দ্রতা মানুষকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। রাতের তীব্র শীতে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয়রা। এর মধ্যেই ডিসেম্বরের শুরুতে শৈতপ্রবাহের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

এর আগে, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ছিল মৌসুমের অন্যতম কম তাপমাত্রা। তারও আগের দিন সোমাবার ছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ধারাবাহিকভাবে তাপমাত্রার এই ওঠানামা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করেছে। স্থানীয়রা জানান, সকাল হতেই হাত-পা জমে আসে। ঠান্ডা হাওয়া সরাসরি লাগে। এর মধ্যে লোকজনও খুব একটা বের হয় না।

রিকশাচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, কামাই কমে গেছে। লোকজন ঠান্ডায় বের হয় না। তবুও রিকশা নিয়ে বের হতে হয়। তবে মোটা কাপড় পরে রিকশা চালাই।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, শীত নামতে শুরু করেছে। ডিসেম্বরের শুরুতে শীত আরও তীব্র হবে। শৈতপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।