ভ্যাট কমিশনারেট পুনর্গঠনের ফলে স্থানান্তরিত ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে হালনাগাদ করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
নির্ধারিত সময়ের পর পুরোনো বিআইএন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে। ফলে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম তখন থেকে নতুন বিআইএন ব্যবহার করেই সম্পন্ন করতে হবে।
সোমবার (৩ আগস্ট) এই তথ্য জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানায়, করজাল সম্প্রসারণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং করদাতাদের সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিদ্যমান ভ্যাট কমিশনারেটগুলোর অধিক্ষেত্র পুনর্নির্ধারণ করে নতুন কমিশনারেট গঠন করা হয়েছে। এই প্রশাসনিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে পরোক্ষ কর ব্যবস্থাকে আরো গতিশীল, কার্যকর ও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এনবিআর জানায়, পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিআইএন নতুন অধিক্ষেত্রে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এতে বিআইএন নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা পরিবর্তিত হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেট ও ডিভিশনকে নির্দেশ করে। তবে প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য বিআইএন-সংক্রান্ত তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানা যায়।
আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন এড়াতে পুরোনো ও নতুন-উভয় বিআইএনই সাময়িকভাবে কাস্টমসের ASYCUDA World সিস্টেমে সক্রিয় রাখা হয়েছে। ফলে পুরোনো বিআইএন ব্যবহার করে ইতোমধ্যে খোলা ঋণপত্র (এলসি), বিল অব এন্ট্রি, কাস্টমস ঘোষণা এবং অন্যান্য চলমান কার্যক্রম নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সম্পন্ন করা যাবে।
তবে এনবিআর ব্যবসায়ীদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পুরোনো বিআইএন-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম শেষ করে নতুন বিআইএন ব্যবহারে অভ্যস্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বলে জানা গেছে
সংস্থাটি আরো জানায়, ৩০ নভেম্বরের পর পুরোনো বিআইএন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। এরপর কাস্টমসের আমদানি-রপ্তানিসহ সব কার্যক্রম শুধু নতুন বিআইএন ব্যবহার করেই পরিচালনা করতে হবে।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























