রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার, ফার্মেসি ও রান্নাঘর পরিদর্শনের পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের জনবল সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনসেবা নিশ্চিত করতে খুব শিগগিরই ৫ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। পাশাপাশি পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে আরও চিকিৎসক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা চলছে।
তিনি জানান, নার্স ও ফার্মাসিস্টসহ আগামী এক বছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ নতুন জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মধ্যে আড়াই হাজার নার্স ও আড়াই হাজার ফার্মাসিস্ট রয়েছেন।
তৃণমূল পর্যায়ে ডায়ালিসিস সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫০টি এবং জেলা সদর হাসপাতালে ১০টি করে ডায়ালিসিস বেড স্থাপন করা হবে। মেশিন কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে জেলা পর্যায়ে ডায়ালিসিস সেবা চালুর লক্ষ্য রয়েছে। জেলা পর্যায়ের ৬০টি মেশিন দৈনিক তিন শিফটে প্রায় ১৮০ জন রোগীকে সেবা দিতে পারবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়েও ১০টি করে ডায়ালিসিস বেড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর শয্যাসংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১৫১ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদন ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানান তিনি। ১৫১ শয্যার এসব হাসপাতালে প্রসূতিদের জন্য ২৫টি এবং শিশুদের জন্য ২০টি বিশেষ শয্যা থাকবে। পাশাপাশি আধুনিক আল্ট্রাসাউন্ড, উন্নত প্যাথলজি ল্যাব ও অন্যান্য সুবিধাসহ ৯ তলা নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

রিপোর্টারের নাম 























