বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষা, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক প্রার্থীকে থানায় হস্তান্তর

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ে এক প্রার্থী আটক হয়েছেন। তার নাম রিপন হোসেন। অফিস সহায়ক পদে প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করে চাকরি পাওয়ার অপচেষ্টা করেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

আটক রিপন হোসেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার বাহা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। অফিস সহায়ক পদে তার রোল নম্বর ছিল ২১০১১৮৭।

পিএসসি সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, নিয়োগপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে কমিশন সচিবালয়ে উপস্থিত হন রিপন হোসেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার পরিচয় যাচাই শুরু করেন। এ সময় প্রবেশপত্রের ছবি ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে তার চেহারা মেলানো হয়। এতে তার পরিচয় নিয়ে গুরুতর সন্দেহ দেখা দেয়।

সন্দেহের বিষয়টি উপপরিচালক শোভন সমাদ্দারকে জানানো হয়। পরে তিনি বিষয়টি উপসচিব ওয়াসিমুল বারীকে অবহিত করেন। কর্মকর্তারা যৌথভাবে যাচাই-বাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রতারণার তথ্য বেরিয়ে আসে।

ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে রিপন হোসেন নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। তিনি জানান, লিখিত বা মৌখিক—কোনো পরীক্ষাতেই তিনি নিজে অংশ নেননি। উভয় পরীক্ষাতেই তিনি প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করেছিলেন। অপরাধ স্বীকারের পরই তাকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষা, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক প্রার্থীকে থানায় হস্তান্তর

প্রকাশিত সময় : ০৩:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ে এক প্রার্থী আটক হয়েছেন। তার নাম রিপন হোসেন। অফিস সহায়ক পদে প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করে চাকরি পাওয়ার অপচেষ্টা করেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

আটক রিপন হোসেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার বাহা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। অফিস সহায়ক পদে তার রোল নম্বর ছিল ২১০১১৮৭।

পিএসসি সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, নিয়োগপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে কমিশন সচিবালয়ে উপস্থিত হন রিপন হোসেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার পরিচয় যাচাই শুরু করেন। এ সময় প্রবেশপত্রের ছবি ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে তার চেহারা মেলানো হয়। এতে তার পরিচয় নিয়ে গুরুতর সন্দেহ দেখা দেয়।

সন্দেহের বিষয়টি উপপরিচালক শোভন সমাদ্দারকে জানানো হয়। পরে তিনি বিষয়টি উপসচিব ওয়াসিমুল বারীকে অবহিত করেন। কর্মকর্তারা যৌথভাবে যাচাই-বাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রতারণার তথ্য বেরিয়ে আসে।

ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে রিপন হোসেন নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। তিনি জানান, লিখিত বা মৌখিক—কোনো পরীক্ষাতেই তিনি নিজে অংশ নেননি। উভয় পরীক্ষাতেই তিনি প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করেছিলেন। অপরাধ স্বীকারের পরই তাকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।