জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে ফেসবুকে আদালত অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন আওয়ামীপন্থী দুই আইনজীবী।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ হাজির হয়ে তারা নিজেদের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন। এ সময় ফেসবুকে দেওয়া আগের পোস্টগুলো মুছে ফেলার কথাও আদালতকে জানান তারা।
দুই আইনজীবীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, দুই আইনজীবী নিজেদের ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আগামী ২৫ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুই আইনজীবীকে সশরীরে হাজির হয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ওই নির্দেশ অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর তারা ট্রাইব্যুনালে হাজির হলে ২৬ অক্টোবর শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই তাদের তলব করা হয়েছিল।
এর আগে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, তৎকালীন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সাত আসামিই পলাতক।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























