সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেছেন, পুলিশ কঠোর হলে ‘ফ্যাসিস্ট পুলিশ’ আর নিষ্ক্রিয় থাকলে ‘দুর্বল পুলিশ’ বলে সমালোচনা করা হয়। তবে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার অনুমতি দিলে এবং প্রয়োজন দেখা দিলে পুলিশ ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর চকবাজারের শাহজাহান ইমাম টাওয়ারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা ‘কমিউনিটি ইসলামিক’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি একই সঙ্গে ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন।

‘ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতা ও স্বচ্ছতার তাগিদ’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম, সুদ-ঘুষ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি।

আইজিপি বলেন, ইসলামে সুদ ও ঘুষ নিষিদ্ধ। প্রকৃত ইসলামিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সুদমুক্ত লেনদেনের পাশাপাশি অংশীদারত্ব, নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

অতীতে ব্যাংক দখল, অনিয়ম এবং অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নজরদারি কার্যকর না হলে শুধু আইন প্রণয়ন করে অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে গ্রাহক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান—উভয় পক্ষেরই নৈতিক দায়িত্ব পালন করা জরুরি।

বর্তমান ব্যবস্থাপনার অধীনে গ্রাহকদের আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে ব্যাংকিং খাতে যেসব অনিয়ম ও বিপর্যয় ঘটেছে, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হবে। একই সঙ্গে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) কার্যক্রমেও নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, পাড়া-মহল্লায় মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, পুলিশের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি ও জবাবদিহির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে কথায় কথায় পুলিশের ওপর আক্রমণ করা কিংবা বাহিনীকে অকার্যকর করে দেওয়ার চেষ্টা হলে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

আইজিপির দাবি, গত ১৭ বছরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে এবং তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা মাদক ব্যবসা থেকে আর্থিক সুবিধা পেতেন। পুলিশের কিছু সদস্যও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নিজেদের বাহিনীর অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে আলী হোসেন ফকির বলেন, পুলিশ বিভাগে শুদ্ধি অভিযান চলছে। গত দুই মাসে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সম্প্রতি পুলিশের সমালোচনা করে নাগরিক সমাজের ১০১ জন প্রতিনিধির দেওয়া একটি বিবৃতির প্রসঙ্গ তুলে আইজিপি ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও আইনের সীমারেখা নিয়ে বক্তব্য দেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারের কথা বলে কেউ মাদক গ্রহণ বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুযোগ দাবি করতে পারেন কি না। তার বক্তব্য, স্বাধীনতা ভোগ করার অর্থ আইন অমান্য করার অধিকার পাওয়া নয়; প্রত্যেককেই সংবিধান ও প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে।

পুলিশের নিয়োগ ও সদস্যদের যোগ্যতা নিয়ে সমালোচনার জবাবেও বক্তব্য দেন তিনি। আইজিপি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষকে সেবা দিতে পুলিশ কনস্টেবলদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অথচ পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে কোনো বিরোধ তৈরি হলেই পুরো বাহিনীকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়।

তার মতে, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয় বলে পুলিশ বাহিনীতে শিক্ষিত, দক্ষ ও দায়িত্বশীল জনবল থাকা অত্যন্ত জরুরি।

আইজিপি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিরোধ, শিল্পকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সময় প্রায়ই পুলিশকে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়। এসব ঘটনার সব দায় পুলিশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ও আইনগত জবাবদিহির ব্যবস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে বাহিনীকে দায়িত্ব পালনের কার্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব পালনে ভীতি তৈরি হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে পুলিশ এখন দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশ সদস্যরা দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে আইজিপি অভিযোগ করেন, সমাজে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ চলার সময় কিছু সাংবাদিক নীরব থাকেন এবং আর্থিক সুবিধা না পেলে পুলিশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করেন।

তিনি দাবি করেন, পুলিশ মানবাধিকার লঙ্ঘন করেনি কিংবা অপ্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগ করেনি। তবে তার এসব বক্তব্যের পক্ষে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত কোনো ঘটনা বা তথ্য তুলে ধরা হয়নি।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকদের জন্য আধুনিক বিকল্প ব্যাংকিং সুবিধা চালুর ক্ষেত্রে ‘কমিউনিটি ইসলামিক’-এর যাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি

প্রকাশিত সময় : ০৪:১০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেছেন, পুলিশ কঠোর হলে ‘ফ্যাসিস্ট পুলিশ’ আর নিষ্ক্রিয় থাকলে ‘দুর্বল পুলিশ’ বলে সমালোচনা করা হয়। তবে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার অনুমতি দিলে এবং প্রয়োজন দেখা দিলে পুলিশ ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর চকবাজারের শাহজাহান ইমাম টাওয়ারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা ‘কমিউনিটি ইসলামিক’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি একই সঙ্গে ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন।

‘ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতা ও স্বচ্ছতার তাগিদ’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম, সুদ-ঘুষ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি।

আইজিপি বলেন, ইসলামে সুদ ও ঘুষ নিষিদ্ধ। প্রকৃত ইসলামিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সুদমুক্ত লেনদেনের পাশাপাশি অংশীদারত্ব, নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

অতীতে ব্যাংক দখল, অনিয়ম এবং অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ও নজরদারি কার্যকর না হলে শুধু আইন প্রণয়ন করে অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে গ্রাহক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান—উভয় পক্ষেরই নৈতিক দায়িত্ব পালন করা জরুরি।

বর্তমান ব্যবস্থাপনার অধীনে গ্রাহকদের আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে ব্যাংকিং খাতে যেসব অনিয়ম ও বিপর্যয় ঘটেছে, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হবে। একই সঙ্গে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) কার্যক্রমেও নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, পাড়া-মহল্লায় মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, পুলিশের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি ও জবাবদিহির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে কথায় কথায় পুলিশের ওপর আক্রমণ করা কিংবা বাহিনীকে অকার্যকর করে দেওয়ার চেষ্টা হলে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

আইজিপির দাবি, গত ১৭ বছরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে এবং তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা মাদক ব্যবসা থেকে আর্থিক সুবিধা পেতেন। পুলিশের কিছু সদস্যও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নিজেদের বাহিনীর অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে আলী হোসেন ফকির বলেন, পুলিশ বিভাগে শুদ্ধি অভিযান চলছে। গত দুই মাসে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সম্প্রতি পুলিশের সমালোচনা করে নাগরিক সমাজের ১০১ জন প্রতিনিধির দেওয়া একটি বিবৃতির প্রসঙ্গ তুলে আইজিপি ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও আইনের সীমারেখা নিয়ে বক্তব্য দেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারের কথা বলে কেউ মাদক গ্রহণ বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুযোগ দাবি করতে পারেন কি না। তার বক্তব্য, স্বাধীনতা ভোগ করার অর্থ আইন অমান্য করার অধিকার পাওয়া নয়; প্রত্যেককেই সংবিধান ও প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে।

পুলিশের নিয়োগ ও সদস্যদের যোগ্যতা নিয়ে সমালোচনার জবাবেও বক্তব্য দেন তিনি। আইজিপি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষকে সেবা দিতে পুলিশ কনস্টেবলদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অথচ পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে কোনো বিরোধ তৈরি হলেই পুরো বাহিনীকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়।

তার মতে, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয় বলে পুলিশ বাহিনীতে শিক্ষিত, দক্ষ ও দায়িত্বশীল জনবল থাকা অত্যন্ত জরুরি।

আইজিপি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিরোধ, শিল্পকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সময় প্রায়ই পুলিশকে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়। এসব ঘটনার সব দায় পুলিশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ও আইনগত জবাবদিহির ব্যবস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে বাহিনীকে দায়িত্ব পালনের কার্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব পালনে ভীতি তৈরি হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে পুলিশ এখন দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশ সদস্যরা দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে আইজিপি অভিযোগ করেন, সমাজে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ চলার সময় কিছু সাংবাদিক নীরব থাকেন এবং আর্থিক সুবিধা না পেলে পুলিশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করেন।

তিনি দাবি করেন, পুলিশ মানবাধিকার লঙ্ঘন করেনি কিংবা অপ্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগ করেনি। তবে তার এসব বক্তব্যের পক্ষে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত কোনো ঘটনা বা তথ্য তুলে ধরা হয়নি।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকদের জন্য আধুনিক বিকল্প ব্যাংকিং সুবিধা চালুর ক্ষেত্রে ‘কমিউনিটি ইসলামিক’-এর যাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।