শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদির আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ২ তরুণীসহ ৪ বাংলাদেশির ‍অনন্য কৃতিত্ব

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এতে প্রথম স্থান অর্জনসহ বিভিন্ন গ্রুপে অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন চার বাংলাদেশি তরুণ ও তরুণী।

তাঁরা হলেন শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ও মুসফিরা বিনতে মাহমুদ এবং মুহাম্মদ জাকারিয়া ও রাবিতা বিনতে রমাদান।
বুধবার (১৯ আগস্ট) পবিত্র মসজিদুল হারামে অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মক্কা অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সাউদ বিন মিশাল। এর আগে আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতার ৪৬তম পর্বের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা দেন সৌদি আরবের ইসলাম ও দাওয়াহবিষয়ক মন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ আলে শেখ।

এ সময় মক্কার মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর ধর্মবিষয়ক প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান আল-সুদাইস, মালদ্বীপের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ শাহীম আলী সাঈদ, উজবেকিস্তানের মন্ত্রীপরিষদের ধর্ম বিষয়ক কমিটির ডেপুটি মাকসুদভ দাভরোনবেকসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে প্রথমবারের মতো এবার পৃথকভাবে মক্কার হিলটন হোটেলে অনুষ্ঠিত নারীদের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় নারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রিন্সেস ফাহদাহ বিনতে ফালাহ আল হাথলিন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে ড. আবদুল লতিফ আলে শেখ বলেন, সৌদি বাদশাহর সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ৪৬তম পর্ব আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। এই পর্বে বিভিন্ন দেশের নারী প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেছেন।

তাদের অংশগ্রহণ প্রতিযোগিতার যাত্রাপথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। নারী বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, কোরআনের নারী হাফেজার জন্য আসল সম্মান হলো, জ্ঞান, আচার-ব্যহার ও জীবনে আল্লাহর পবিত্র গ্রন্থের প্রতিফল ঘটানো। তারা যেন কোরআনের উজ্জ্বলতম নমুনা হোন এবং নিজ নিজ দেশের সর্বোত্তম নমুনা হিসেবে কাজ করেন।

সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ জানায়, কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার ৪৬তম পর্ব পাঁচটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহবিষয়ক মন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ বিজয়ীদের নাম ঘোষণার অনুমোদন দেন।

সৌদি বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতিযোগিতার তৃতীয় গ্রুপে পুরুষদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান। একই গ্রুপে নারীদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন মুসফিরা বিনতে মাহমুদ। এই গ্রুপে পবিত্র কোরআন পূর্ণাঙ্গ হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদ যাচাই করা হয়। তারা প্রত্যেকে পৃথকভাবে পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন এক লাখ ৮০ হাজার রিয়াল।

হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফী রাজধানীর ডেমরার মারকাযুল মাদীনা ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

আর চতুর্থ গ্রুপে পুরুষদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মুহাম্মদ জাকারিয়া এবং একই গ্রুপে নারীদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন রাবেতা বিনতে রমজান। এই গ্রুপে পবিত্র কোরআনের ১৫ পারা হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদ যাচাই করা হয়। প্রথম পুরস্কার হিসেবে মুহাম্মদ জাকারিয়া পেয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার রিয়াল এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে রাবিতা বিনতে রমাদান পেয়েছেন এক লাখ ৩০ হাজার রিয়াল।

জানা গেছে, হাফেজ মুহাম্মদ (নুর উদ্দিন) জাকারিয়া নারায়ণগঞ্জের সানারপাড় এলাকার আর-রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার শিক্ষার্থী। এর আগে ২০২৩ সালে দেশের সর্ববৃহৎ কোরআন প্রতিযোগিতা ‘কুরআনের নূর পাওয়ার্ড বাই বসুন্ধরা’য় তিনি প্রথম স্থান অধিকার করে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার পেয়েছিলেন।

তৃতীয় স্থান অর্জনকারী তরুণী রাবেতা বিনতে রমজান রাজধানীর উত্তরাস্থ তানযীমুল উম্মাহ গার্লস হিফয মাদরাসার ছাত্রী বলে জানা গেছে।

এদিকে প্রথম পুরস্কার বিজয়ী হাফেজ জাকারিয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘কোরআনই তাকে একটি ছোট গ্রাম থেকে পবিত্র মক্কা নগরীতে নিয়ে এসেছে।’ মসজিদুল হারামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকে তিনি তার জীবনের অন্যতম বড় সম্মান ও স্মরণীয় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট সৌদি বাদশাহ সালমানের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্বাবধানে কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার ৪৬তম পর্ব শুরু হয়। পাঁচ গ্রুপে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ পুরুষ ও নারী অংশ নেন। আয়োজকদের মতে, এবারই প্রথম সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। প্রতিযোগিতার পাঁচ গ্রুপে মোট ৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

মক্কার পবিত্র ভূমিতে বিশ্বের নানা প্রান্তের হাফেজদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম হওয়াসহ বিভিন্ন স্থান অর্জন নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়। বাংলাদেশি হাফেজদের এই সাফল্য দেশের কোরআন শিক্ষা ও হিফজের অঙ্গনেও নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের এই অর্জন এবারই প্রথম নয়; বরং প্রায়ই বাংলাদেশি হাফেজরা এই সাফল্য অর্জন করে থাকেন। ২০২৪ সালে আনাছ বিন আতিক, ২০২৩ সালে তৃতীয় হয়েছিলেন ফয়সাল আহমেদ, ২০২২ সালে সালেহ আহমাদ তাকরিমসহ অনেকেই সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত রেখেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

এ বছর হচ্ছে না বিপিএল, নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন তামিম

সৌদির আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ২ তরুণীসহ ৪ বাংলাদেশির ‍অনন্য কৃতিত্ব

প্রকাশিত সময় : ১০:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এতে প্রথম স্থান অর্জনসহ বিভিন্ন গ্রুপে অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন চার বাংলাদেশি তরুণ ও তরুণী।

তাঁরা হলেন শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ও মুসফিরা বিনতে মাহমুদ এবং মুহাম্মদ জাকারিয়া ও রাবিতা বিনতে রমাদান।
বুধবার (১৯ আগস্ট) পবিত্র মসজিদুল হারামে অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মক্কা অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সাউদ বিন মিশাল। এর আগে আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতার ৪৬তম পর্বের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা দেন সৌদি আরবের ইসলাম ও দাওয়াহবিষয়ক মন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ আলে শেখ।

এ সময় মক্কার মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর ধর্মবিষয়ক প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান আল-সুদাইস, মালদ্বীপের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ শাহীম আলী সাঈদ, উজবেকিস্তানের মন্ত্রীপরিষদের ধর্ম বিষয়ক কমিটির ডেপুটি মাকসুদভ দাভরোনবেকসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে প্রথমবারের মতো এবার পৃথকভাবে মক্কার হিলটন হোটেলে অনুষ্ঠিত নারীদের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় নারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রিন্সেস ফাহদাহ বিনতে ফালাহ আল হাথলিন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে ড. আবদুল লতিফ আলে শেখ বলেন, সৌদি বাদশাহর সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ৪৬তম পর্ব আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। এই পর্বে বিভিন্ন দেশের নারী প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেছেন।

তাদের অংশগ্রহণ প্রতিযোগিতার যাত্রাপথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। নারী বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, কোরআনের নারী হাফেজার জন্য আসল সম্মান হলো, জ্ঞান, আচার-ব্যহার ও জীবনে আল্লাহর পবিত্র গ্রন্থের প্রতিফল ঘটানো। তারা যেন কোরআনের উজ্জ্বলতম নমুনা হোন এবং নিজ নিজ দেশের সর্বোত্তম নমুনা হিসেবে কাজ করেন।

সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ জানায়, কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার ৪৬তম পর্ব পাঁচটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহবিষয়ক মন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ বিজয়ীদের নাম ঘোষণার অনুমোদন দেন।

সৌদি বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতিযোগিতার তৃতীয় গ্রুপে পুরুষদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান। একই গ্রুপে নারীদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন মুসফিরা বিনতে মাহমুদ। এই গ্রুপে পবিত্র কোরআন পূর্ণাঙ্গ হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদ যাচাই করা হয়। তারা প্রত্যেকে পৃথকভাবে পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন এক লাখ ৮০ হাজার রিয়াল।

হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফী রাজধানীর ডেমরার মারকাযুল মাদীনা ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

আর চতুর্থ গ্রুপে পুরুষদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মুহাম্মদ জাকারিয়া এবং একই গ্রুপে নারীদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন রাবেতা বিনতে রমজান। এই গ্রুপে পবিত্র কোরআনের ১৫ পারা হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদ যাচাই করা হয়। প্রথম পুরস্কার হিসেবে মুহাম্মদ জাকারিয়া পেয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার রিয়াল এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে রাবিতা বিনতে রমাদান পেয়েছেন এক লাখ ৩০ হাজার রিয়াল।

জানা গেছে, হাফেজ মুহাম্মদ (নুর উদ্দিন) জাকারিয়া নারায়ণগঞ্জের সানারপাড় এলাকার আর-রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার শিক্ষার্থী। এর আগে ২০২৩ সালে দেশের সর্ববৃহৎ কোরআন প্রতিযোগিতা ‘কুরআনের নূর পাওয়ার্ড বাই বসুন্ধরা’য় তিনি প্রথম স্থান অধিকার করে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার পেয়েছিলেন।

তৃতীয় স্থান অর্জনকারী তরুণী রাবেতা বিনতে রমজান রাজধানীর উত্তরাস্থ তানযীমুল উম্মাহ গার্লস হিফয মাদরাসার ছাত্রী বলে জানা গেছে।

এদিকে প্রথম পুরস্কার বিজয়ী হাফেজ জাকারিয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘কোরআনই তাকে একটি ছোট গ্রাম থেকে পবিত্র মক্কা নগরীতে নিয়ে এসেছে।’ মসজিদুল হারামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকে তিনি তার জীবনের অন্যতম বড় সম্মান ও স্মরণীয় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট সৌদি বাদশাহ সালমানের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্বাবধানে কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার ৪৬তম পর্ব শুরু হয়। পাঁচ গ্রুপে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ পুরুষ ও নারী অংশ নেন। আয়োজকদের মতে, এবারই প্রথম সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। প্রতিযোগিতার পাঁচ গ্রুপে মোট ৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

মক্কার পবিত্র ভূমিতে বিশ্বের নানা প্রান্তের হাফেজদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম হওয়াসহ বিভিন্ন স্থান অর্জন নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়। বাংলাদেশি হাফেজদের এই সাফল্য দেশের কোরআন শিক্ষা ও হিফজের অঙ্গনেও নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের এই অর্জন এবারই প্রথম নয়; বরং প্রায়ই বাংলাদেশি হাফেজরা এই সাফল্য অর্জন করে থাকেন। ২০২৪ সালে আনাছ বিন আতিক, ২০২৩ সালে তৃতীয় হয়েছিলেন ফয়সাল আহমেদ, ২০২২ সালে সালেহ আহমাদ তাকরিমসহ অনেকেই সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত রেখেছেন।