শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৬২, ক্ষতিগ্রস্ত ৯৩ হাজার মানুষ

বন্যা ও ভূমিধসের কারণে নেপাল ও তিব্বতে নিহতের সংখ্যা ৫৬২ জনের দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ জন তিব্বতের। স্থানীয় ও বিদেশি মিলিয়ে নিখোঁজ আছে সহস্রাধিক মানুষ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিগুলোর ফেডারেশনের প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেভিড ফিশার বলেন, ‘আমাদের ধারণা, অন্তত ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের ব্যাপক সহায়তা প্রয়োজন। তবে আমরা দ্বিতীয় দফার বন্যা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।’  একইসঙ্গে ত্রাণ কর্মকর্তারা নতুন করে বন্যার আশঙ্কা করছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ফিশার বলেন, ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট একটি হ্রদের বাঁধ ভেঙে পানি উপচে পড়ায় ত্রাণবাহী ট্রাক আটকা পড়ে। এতে উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

জাতিসংঘের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস দপ্তরের প্রধান কমল কিশোরও নতুন দুর্যোগের বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, এক অর্থে দুর্যোগ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। কোনো কোনো দিক থেকে এটি এখনও ঘটেই চলেছে।

একই ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র তারিক জাসারেভিচ জানান, ভূমিধসে ছয়টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিখোঁজ হয়েছেন আটজন স্বাস্থ্যকর্মী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট

নেপালে বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৬২, ক্ষতিগ্রস্ত ৯৩ হাজার মানুষ

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৭:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

বন্যা ও ভূমিধসের কারণে নেপাল ও তিব্বতে নিহতের সংখ্যা ৫৬২ জনের দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ জন তিব্বতের। স্থানীয় ও বিদেশি মিলিয়ে নিখোঁজ আছে সহস্রাধিক মানুষ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিগুলোর ফেডারেশনের প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেভিড ফিশার বলেন, ‘আমাদের ধারণা, অন্তত ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের ব্যাপক সহায়তা প্রয়োজন। তবে আমরা দ্বিতীয় দফার বন্যা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।’  একইসঙ্গে ত্রাণ কর্মকর্তারা নতুন করে বন্যার আশঙ্কা করছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ফিশার বলেন, ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট একটি হ্রদের বাঁধ ভেঙে পানি উপচে পড়ায় ত্রাণবাহী ট্রাক আটকা পড়ে। এতে উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

জাতিসংঘের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস দপ্তরের প্রধান কমল কিশোরও নতুন দুর্যোগের বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, এক অর্থে দুর্যোগ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। কোনো কোনো দিক থেকে এটি এখনও ঘটেই চলেছে।

একই ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র তারিক জাসারেভিচ জানান, ভূমিধসে ছয়টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিখোঁজ হয়েছেন আটজন স্বাস্থ্যকর্মী।