বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাম উপসর্গে আরো ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৮৩

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৮৩ শিশু।

বুধবার (৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৪ শিশুর শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে আরো ৯৫৯ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৭৫৮ শিশু। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরো ৯৬ শিশু। সব মিলিয়ে এই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৮৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৯০৫ জনে। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগী ১৬ হাজার ৬৫৫ জন। মোট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ১৫ হাজার ২৩৪ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে এক লাখ ১১ হাজার ৫ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

হাম উপসর্গে আরো ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৮৩

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৮৩ শিশু।

বুধবার (৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৪ শিশুর শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে আরো ৯৫৯ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৭৫৮ শিশু। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরো ৯৬ শিশু। সব মিলিয়ে এই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৮৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৯০৫ জনে। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগী ১৬ হাজার ৬৫৫ জন। মোট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ১৫ হাজার ২৩৪ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে এক লাখ ১১ হাজার ৫ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।