রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সানি লিওনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা খারিজের সিদ্ধান্ত আদালতে বহাল

বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওন ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রতারণার মামলা খারিজের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন মুম্বাইয়ের একটি আদালত।

সেশনস বিচারক পি এ সানে নির্দেশনায় জানান, অভিযুক্ত দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণা বা অপরাধমূলক বিশ্বাসের ভঙ্গের মতো কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি এবং পুরো বিষয়টি মূলত একটি সাধারণ বাণিজ্যিক চুক্তির শর্তভঙ্গের বিরোধ। খবর সিয়াসাত ডেইলির।

অভিযোগকারী ওমপ্রকাশ শ্রীনারায়ণ লাল জৈন দাবি করেছিলেন যে তিনি একটি তেলেগু সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সানি লিওনের চুক্তির মধ্যস্থতা করেছিলেন এবং ১.৭৫ কোটি রুপি মোট পারিশ্রমিকের একটি নির্দিষ্ট অংশ কমিশন হিসেবে তার পাওয়ার কথা ছিল। আংশিক অর্থ পেলেও বকেয়া টাকা তাকে দেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগ এনে তিনি আন্ধেরির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতারণা ও অপরাধমূলক হুমকির মামলা করেন। তবে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সেটি খারিজ করে দিলে তিনি সেশনস আদালতে রিভিশন আবেদন জানান।

রিভিশন আবেদনের শুনানিতে জমা দেওয়া কর ইনভয়েস ও বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা করে আদালত স্পষ্ট করেন যে, এটি একটি ব্যবসায়িক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ মাত্র।

মামলাটিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির প্রতারণা বা অপরাধমূলক হুমকির কোনো শর্ত পূরণ না হওয়ায় এবং মূল রায়ে কোনো আইনি ত্রুটি না থাকায় সেশনস আদালত আবেদনটি চূড়ান্তভাবে খারিজ করে দেয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মেধার পাশাপাশি দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ হতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

সানি লিওনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা খারিজের সিদ্ধান্ত আদালতে বহাল

প্রকাশিত সময় : ০৫:৪৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওন ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রতারণার মামলা খারিজের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন মুম্বাইয়ের একটি আদালত।

সেশনস বিচারক পি এ সানে নির্দেশনায় জানান, অভিযুক্ত দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণা বা অপরাধমূলক বিশ্বাসের ভঙ্গের মতো কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি এবং পুরো বিষয়টি মূলত একটি সাধারণ বাণিজ্যিক চুক্তির শর্তভঙ্গের বিরোধ। খবর সিয়াসাত ডেইলির।

অভিযোগকারী ওমপ্রকাশ শ্রীনারায়ণ লাল জৈন দাবি করেছিলেন যে তিনি একটি তেলেগু সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সানি লিওনের চুক্তির মধ্যস্থতা করেছিলেন এবং ১.৭৫ কোটি রুপি মোট পারিশ্রমিকের একটি নির্দিষ্ট অংশ কমিশন হিসেবে তার পাওয়ার কথা ছিল। আংশিক অর্থ পেলেও বকেয়া টাকা তাকে দেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগ এনে তিনি আন্ধেরির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতারণা ও অপরাধমূলক হুমকির মামলা করেন। তবে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সেটি খারিজ করে দিলে তিনি সেশনস আদালতে রিভিশন আবেদন জানান।

রিভিশন আবেদনের শুনানিতে জমা দেওয়া কর ইনভয়েস ও বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা করে আদালত স্পষ্ট করেন যে, এটি একটি ব্যবসায়িক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ মাত্র।

মামলাটিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির প্রতারণা বা অপরাধমূলক হুমকির কোনো শর্ত পূরণ না হওয়ায় এবং মূল রায়ে কোনো আইনি ত্রুটি না থাকায় সেশনস আদালত আবেদনটি চূড়ান্তভাবে খারিজ করে দেয়।